Sunday, 21 August 2016

জোহরা নাজির ফাউন্ডেশন গঠন তন্ত্র

                                

                          জোহরা নাজির ফাউন্ডেশন
                                                                 গঠন তন্ত্র
ধারা ঃ ০১ ঃ প্রতিষ্ঠানের নাম                ঃ (ক) জোহরা নাজির ফাউন্ডেশন (বেসরকারী)।
ইহাএকটি অরাজনৈতিক,অলাভজনক, সামাজিক,  শিা ও সাংষ্কৃতিক উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী   প্রতিষ্ঠান।
(খ) ১। জোহরা নাজির ফাউন্ডেশনের একটি মনোগ্রাম থাকবে ।
২। একটি চতুস্কোণ বর্গের মধ্যে এটি বই ও  আলোর শিখা থাকবে ।
ধারা ঃ ০২ ঃ প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা             ঃগ্রামঃ-জয়পুর,পোষ্টঃ-জয়পুর,উপজেলাঃ মণিরামপুর,   জেলা-   যশোর।
ধারা ঃ ০৩ ঃ প্রতিষ্ঠানস্থাপনের তারিখ       ঃ ৮ আগষ্ট,২০১২ ইং।
ধারা ঃ ০৪ ঃ প্রতিষ্ঠানকর্ম এলাকা            ঃ প্রতিষ্ঠানের কর্মত্রে ঃ- প্রথম পর্যায়ে
যশোর জেলা, পরবর্তী পর্যায়ে  ক্রমান্বয়ে   সাধ্যানুসারে সমগ্র বাংলাদেশ।
ধারা ঃ ০৫ ঃ প্রতিষ্ঠানধরণ               ঃ ইহা একটি অরাজনৈতিক , অলাভজনক, সামাজিক,  শিা ও সাংষ্কৃতিক  উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী   প্রতিষ্ঠান।
ধারা ঃ ০৬ ঃ প্রতিষ্ঠানল্য ও উদ্দেশ্য     ঃ ০১। জোহরা নাজির স্মরণে বাৎসরিক দোয়া  মাহফিল।
০২। সমাজের নানামূখী ইন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড।
০৩। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা।
                       ০৪ ইসলামী মূল্যেবোধ সৃষ্টিতে অনুপ্রেরণা কার।
        ০৫  সুস্থ রাধার সংস্কৃতির বিকাশ ।
       ০৬  দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন ।
০৭ গরীব ও মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান ।
০৮ মাদরাসাও স্কুল প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ।
০৯ রক্তদান কর্মসুচি পালন।
১০।বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা ও র‌্যালী করা।
১১ রমজান মাসে ইফতার মাহফিল ও রমজানের তৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা ।
১২ ।  ইয়াতিম ও দৃস্থ্য অসহায় মানুষের সহযোগিতা প্রদার করা ।
১৩ । সাধরণ মানুঘের মধ্যে পাঠভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এলাকায় পাঠাগার স্থাপন ,
দেশ-বিদেশী পুস্তক সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং তা পরিচালনা করা।   
১৪ ।  বিাভন্ন কর্মের সফল মানুষের সয়বর্ধনা প্রদান । 
১৫ । জাতি -ধর্ম -বর্ন নির্বেশেষে সকল মানুষের আর্তমানবতার সেবায় সমর্পিত অরাজনৈতিক , অসাম্প্রদায়িক,অবাণিজ্যিক, দাতব্য, স্বেচ্ছাসেবী  সমাজ কল্যানণ সংস্থা  ।

ধারা ঃ ০৭ ঃ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা      ঃ প্রতিষ্ঠানকার্য এলাকায় বসবাসকারী কমপে ১৮ বা তদুর্ধ বয়স্ক, সৎ চরিত্রবান এবং সামাজিক চেতনাবোধ সম্পন্ন বাংলাদেশী নাগরিক এই সংস্থার সদস্য হওয়ার যোগ্য বলিয়া  বিবেচিত হইবেন। পুর”ষ বা মহিলা উভয়েই এই সংস্থার সদস্য হতে পারবেন।
ধারা ঃ ০৮ ঃ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতা     ঃ আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত ও সাজা প্রাপ্ত হলে,দেউলিয়া বা পাগল হলে, রাষ্ট্র      বিরোধী কাজে লিপ্ত থাকলে এবং সংস্থার নীতিমালা ভঙ্গ বা গঠনতন্ত্রের পরিপন্থি কাজ করলে সদস্য পদের  জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।          
ধারা ঃ ০৯ ঃ সদস্য চাঁদা                   ঃ  সদস্য/সদস্যাদের মভর্তি ফি ১৫/= (পনের) টাকা। কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত এবং নিবন্ধন কর্তৃপরে পূর্ব অনুমোদনক্রমে এই হার বেশী / কম হতে পারে।
ধারা ঃ ১০ ঃ সদস্য হওয়ার নিয়মাবলী     ঃ  সংস্থার নিয়মাবলী মানিয়া চলিতে সম্মত থাকিয়া যে কেহ সদস্য হওয়ার জন্য সভাপতির বরাবরে সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন পত্র দাখিল করিলে এবং কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক তাহা অনুমোদিত হইলে প্রার্থীত সদস্যপদ প্রদান করা যাইবে ।
ধারাঃ ১১ঃ সদস্যপদ ও উহার শ্রেণি বিভাগ    ঃ এই সংস্থায় মোট ৪ (চার) প্রকার সদস্য থাকিবে।যথা-(১)সাধারণ সদস্য(২)আজীবন সদস্য (৩)দাতা সদস্য (৪)প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
১। সাধারণ সদস্য ঃ ধারা ৭ মোতাবেক যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি যিনি ধারা ৯ এবং ধারা ১০ মোতাবেক সদস্য হবেন তিনি সাধারণ সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবেন ।২। আজীবন সদস্য ঃ যদি কোন ব্যক্তি সংস্থার নামে ৫০০০ /=(পাঁচ হাজার )টাকা অথবা সমপরিমান অর্থের মালামাল দান করেন   তবে তিনি আজীবন সদস্য হিসেবে গন্য হবেন ।আজীবন সদস্যদের ভোটাধিকার থাকবে এবং তারা নির্বাচনে অংশ নিতে   পারবেন।আজীবন সদস্যগণ ফাউণ্ডেশনের  প হইতে বিশেষ সম্মানের অধিকারি হইবেন ।ধারা ৭এবং ধারা ১০ এর নিয়ম তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে । 
৩। দাতা সদস্য ঃ যদি কোন ব্যক্তি এককালীন ১০,০০০/=(দশ হাজার )টাকা অথবা সমপরিমান অর্থের মালামাল (স্থাবর/অস্থাবর) সংস্থার নামে জনকল্যানমূলক কাজে ব্যয় করার জন্য দান করেন তবে তিনি দাতা সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। দাতা সদস্যদের  ভোটাধিকার থাকবে এবং তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারবেন ।উন্নয়নের লে তাদের উপদেশ ও পরামর্শ বিবেচনা করা  যাবে এবং সংস্থার প থেকে তিনি বিশেষ সম্মানের অধিকারী হবেন ।




  ৪। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ঃ প্রতিষ্ঠান গঠনে যারা উদ্যোগ গ্রহন করেছিলেন এবং যারা নিবন্ধিকরণের সময় :বি” ফরমে স্বার করেছেন তারা প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে গন্য হবেন ।প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ নিয়মিত চাঁদা প্রদান করবেন ।তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন ।প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে তাদের সদস্য পদ বাতিল করা যাবে না।
ধারাঃ ১২ঃ সদস্যপদ বাতিলের কারণঃ
০১। বিনা নোটিশে পরপর ৩ টি সভায় অনুপস্থিত থাকলে ।
                    ০২। গঠনতন্ত্রের পরিপন্থীকার্যকলাপে লিপ্ত থাকলে ।
                   ০৩। মৃত্যুবরণ করলে ।
                    ০৪। আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হলে ।
                    ০৫। দেউলিয়া কিংবা পাগল হলে ।
০৬। সংস্থায় বা সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত কোন প্রকল্পে কার্যক্রমে চাকরী গ্রহন করলে ।
ধারাঃ ১৩ঃ সদস্যপদ পুনর”দ্ধারের নিয়ম ঃ ধারা ১২ এর ১ হইতে ৭ উপধারার যে কোন কারনে সদস্য পদ বাতিল হইলে (৪ ও ৬ উপধারা ছাড়া )উপযুক্ত কারণ দর্শাইয়া পুণরায় সদস্যপদের জন্য সভাপতি বরাবর আবেদন করলে এবং কার্যকরী পরিষদের সভায় উহা অনুমোদিত হলে সদস্যপদ পুনর”দ্ধার করা যেতে পারে।এেেত্র সমস্ত বকেয়া চাঁদা (যদি বাকি থাকে)পরিশোধ সহ পুণঃভর্তি ফিস বাবদ ৩০/=(ত্রিশ)টাকা প্রদান করতে হবে।
ধারাঃ ১৪ঃ    
সদস্য পদ ত্যাগ করার নিয়মঃ যদি কোন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে ইচ্ছুক হলে সভাপতি বরাবর সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে দরখাস্ত দাখিল করবেন ।
ধারাঃ ১৫ঃ ফাউণ্ডেশন পরিচালনা পরিষদ (সাংগঠনিক কাঠামো)ঃ
সংস্থা পরিচালনার জন্য ৩ টি পরিষদ থাকবে । যথা ঃক)সাধারণ পরিষদ খ)কার্যকরী পরিষদ গ)উপদেষ্টা পরিষদ ।
১। সাধরন পরিষদ
(ক) গঠন প্রনালীঃ
১. সংস্থার সকল সাধরন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত হবে এই কমিটি ।
২. সাধরন পরিষদ সদস্য সংখ্যা সুনির্দিষ্ট নহে । তবে এই কমিটিতে কম্পে ৩৫ জন সদস্য থাকবে । প্রয়োজনে এই সংখ্য বৃদ্ধি করা যাবে ।
(খ) সাধারন পরিষদের মতা ও কার্যবলী ঃ
১. সাধারন পরিষদ কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করবে ।
২. সাধারন পরিষদ সংস্থার সর্বোচ্চ পরিষদ হিসাবে গন্য হবে ।
৩. সাধারন পরিষদ এর সভায় সংস্থার যাবতীয় কার্যক্রমের প্রতিবেদন ও হিসাবাদি পেশ করা হবে ।
৪. সাধারন পরিষদে সংস্থার বার্র্র্ষিক বাজেট পেশ করবে।
                   ৫. সাধারন পরিষদ কার্যনির্বহী পরিষদের সকল কার্যক্রম অনুমোদনকরবে।
৬.সাধারন পরিষদের সভায় সংস্থার সভাপতি সভাপতিত¦ করবেন এবং সাধারন সম্পাদক সভা পরিচালনা করবেন ।
৭.সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে সাধারন সম্পাদক ,সভার কর্মসূচী নির্ধারন এবং সভার দিন, তারিখ ও স্থান নির্ধারন করে সভা আহবান করবেন ।
৮. সাধর পরিষদ ২/৩ ( দুই তৃতীয় অংশ ) অংশের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাহি পরিষদ কে মনোনিত বা নির্বাচিত করবেন ।
(গ) সাধরন পরিষদ বার্ষিক অধিবেশনের নিন্ম উক্ত কার্যক্রমের পর্যালোচনা করবে ঃ

১.    সাধারন সম্পদক কর্তৃক উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা , সংযোজনী , সংশোধনী করে এবং অবশিষ্ট কাজ নতুন বছরের কর্ম তালিকায় অšভুক্ত করবে ।
২.    সংস্থার গঠন তন্ত্র মোতাবেক যে কোন কর্ম পরিকল্পনা গ্রহন বা নির্ধারিত কার্যনির্বাহি পরিষদ কে পরামর্শ প্রদান করবে ।
৩.    কার্যনির্বহী পরিষদ কর্তৃক উপস্থাপিত যে কোন বিষায় বিবেচনা ও চুড়ান্ত করন করবে ।
(২)কার্যনির্বাহী পরিষদ ঃ
            (ক) গঠন প্রনালী
১. সংস্থার কার্যক্রম সুষ্ঠ ভাবে গঠন তন্ত্র অনুযায়ী বাস্তবায়ন ও পরিচালনা জন্য একটি কার্যনির্বাহি পরিষদ থাকবে । সংস্থার সাধরন পরিষদের সদস্যদের দ্বারা কার্যনির্বাহি পরিষদ নির্বাচিত ও মনোনিত হবেন ।
২. নির্বাহি পরিষদের অনুমোদন ছাড়া স্থায়ী কর্মী নিয়োগ  বা বরখস্থ করা যাবেনা ।
৩।  কার্যনির্বাহি পরিষদের সভাপতি পরিষদের প্রধান হিসাবে বিবেচিত হবেন। পদাধিকার বলে তিনি সংস্থার নির্বাহি পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাবেন। এবং সংস্থার নির্বাহি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ।
৪.    কার্যনির্বাহি পরিষদ সভাপতি কে নির্বাহি পরিচালক পদে নিয়োগ দেবেনে ও তার দায়িত্ব, মতা ও কর্তব্য এবং চাকুরীর আচারন বিধি নির্ধারন করবেন।
৫.    সভাপিত নির্বাহি পরিচালক কার্যনির্বাহি পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বাজেটের আলোকে যাবতীয় বিল ভাউচার অনুমোদন করবেন ।  
     ৬.কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ জন এবং পরিষদের মেয়াদকাল হবে ৫ বৎসর ।
১)প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান (সভাপতি)                     ১জন
        ২ সাধরন সম্পদক     ১ জন
        ৩) কোষাধ্য    ১ জন
        ৪ সাংগঠনিক সম্পদক    ১জন
        ৫ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পদক     ১ জন
        ৬ ক্রীয়া বিষয়ক সম্পদক     ১ জন
         ৭ শিা ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পদক    ১জন
        ৮ প্রচার সম্পদক        ১জন
        ৯ সমাজ কল্যাণ সম্পদক     ১জন   
                   ১০নির্বাহী সদস্য                                   ৬জন
                মোট                            ১৫ জন
  গ) উপদেষ্টা পরিষদ ঃ প্রতিষ্ঠাতা ,দাতা ও আজীবন সদস্যদের মধ্য হতে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক গঠন করতে  হবে এবং সাধারণ পরিষদের অনুমোদন গ্রহন করতে হবে।সংস্থার সকল প্রকার উন্নয়নমুলক কাজের পরামর্শ প্রদান উপদেষ্টা পরিষদের কাজ। পরিষদের মেয়াদ কাল হবে পরিষদ গঠনের পর হতে ৫ বৎসর ।
ধারা ঃ১৬ঃ কার্যকরী পরিষদের মতা ও কার্যাবলীঃ
ক) সভাপতি ঃতিনি সংস্থা কর্তৃক আহবানকৃত প্রতিটি সভায় উপস্থিত থেকে সভায় সভাপতিত্ব করবেন ।সংস্থার নিয়ম-কানুন রার জন্য বা নিয়ম  শৃঙ্খলা রার প্রশ্নে তিনি গঠনমুলক পরামর্শ প্রদান করে সুষ্ঠ সমাধান করবেন ।সংস্থার উন্নয়নমুলক কার্যকলাপে তিনি সবসময় গঠন   মূলক পরামর্শ প্রদান করবেন।কোন বিতর্ক বা বিতর্কিত বিষয়ে যদি ২প সমান ভোট পান তবে তিনি কাষ্টিং ভোট প্রদান করে সমস্যার সমাধান করবেন ।সংস্থার প্রতিটি বিষয় সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হইতেছে কিনা তাহার প্রতি দৃষ্টি রাখিবেন ।সংস্থার বাজেট ও আয় ব্যয়ের  হিসাব এবং দৈনন্দিন কাজের তদারকি সহ তিনি সকল কাজের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ।
খ)সেক্রেটারি ঃসাধারণ সম্পাদক সংস্থার সকল কাজের দায়িত্ব পালন করবেন।তিনি সভাপতির অনুমতিক্রমে সভা আহবান,বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন,কর্ম  পরিকল্পনা তৈরি এবং অনুমোদিত প্রকল্প সমুহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তাহা তদারকি করবেন ।তিনি বার্ষিক বাজেট আয় ব্যয়ের হিসাব এবং প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সাধারণ সভায় উপস্থাপন করবেন ।আয় ব্যয়ের হিসাব সংরণ,ব্যাংকের সহিত যোগাযোগ এবং কার্যক্রম বাস্তবায়নে তিনি সক্রিয়   ভূমিকা পালন করবেন ।অফিসের নথি পত্র সংরন করবেন ।তিনি সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নগদ ১০০০/-(এক হাজার ) টাকা হাতে রাখতে পারবেন ।সাধারণ সম্পাদক সংস্থার নির্বাহী প্রধান হিসেবে  গণ্য হবেন ।
গ)কোষাধ্য ঃ সংস্থার অনুকুলে যাবতীয় নগদ অর্থ বা চেক তিনি সংস্থার নামে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে জমা প্রদান করবেন ।সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমোদিত যে কোন বিল বা ভাউচার তার নিকট দাখিল করা হলে তিনি উহা পরিশোধ করবেন ।ক্যাশ বহি লিখন ও অন্যান্য আর্থিক লেনদেন তিনি সম্পাদন করবেন ।মাসিক ব্যয় সংশ্লিষ্ট মাসে এবং অনুষ্ঠিত কার্যকরী সভায় অনুমোদন করে নিবেন ।
ঘ) দপ্তর সম্পাদকঃ   সংস্থার সকল নথিপত্র সংরন করবেন।সংস্থার সকল দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পাদন করবেন। রেকডৃপত্র লিপিবদ্ধ করবেন।এছাড়া সাধারন  সম্পাদককে সংগঠনের সকল কাজে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।


ঙ) প্রচার সম্পাদকঃ প্রচার সম্পাদক সংস্থার সকল অনুষ্ঠানাদি সকল সদস্যদের নিকট প্রচারের ব্যবস্থা করবেন।সংস্থার বিভিন্ন পেপার পত্রিকা প্রকাশ করবেন। এছাড়া  সাধারণ সম্পাদককে সংগঠনের সকল কাজে  সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন।
চ)সদস্য ঃ  কার্যকরী পরিষদের সকল সভায় উপস্থিত থেকে সংস্থার উন্নয়নের লে বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করতে পারবেন ।তিনি কার্যকরী পরিষদ  কর্তৃক প্রদত্ত যেকোন দায়িত্ব পালন করবেন ।
ধারাঃ ১৭ঃ বিভিন্ন সভা ও উহার শ্রেণি বিভাগ ঃ  
এই সভায় ৬ প্রকার সভার ব্যবস্থা থাকবে। যথা ঃ ক) সাধারণ সভা খ) কার্যকরী পরিষদের সভা গ) জর”রি সভা ঘ) তলবী সভা
                ঙ) মুলতবী সভা চ) জর”রী সাধারণ সভা ।
ক) সাধারণ সভা ঃ এই সভা প্রতি বছর ২(দুই) বার অনুষ্ঠিত হবে।সভাপতির অনুমোদনক্রমে সাধারণ সম্পাদক এ সভা আহব্বান করবেন।সভার স্থান, তাং এবং সময় আলোচ্য সূচী উল্লেখ পূর্বক ১৫ দিন পূর্বে সভার বিজ্ঞপ্তি নোটিশ বইয়ের মাধ্যমে সদস্যদের নিকট পৌছাতে হবে।  
               ২/৩ অংশ সদস্যদের উপস্থিতিতে এই সভার কোরাম পূর্ণ হবে ।
খ) কার্যকরী পরিষদের সভা  ঃ   সভাপতির অনুমোদনক্রমে ৭(সাত) দিনের নোটিশে সাধারণ সম্পাদক এই সভা আহবান করবেন ।সভার বিজ্ঞপ্তিতে স্থান,তারিখ,সময়  এবং সভার আলোচ্য সূচী উল্লেখ পূর্বক সভা অনুঠানের কমপে ৩ দিন পূর্বে নোটিশের মাধ্যমে সদস্যদেরকে অবহিত করতে হবে। প্রতি ২ মাস অন্তর একটি সভা অনুঠিত হবে ।২/৩ অংশ সদস্যের উপস্থিতিতে এই সভার কোরাম পূর্ণ হবে । গ)জর”রী সভা বিশেষ জর”রি প্রয়োজনে সভাপতি এবং সভাপতির অনুমোদনক্রমে সাধারণ সম্পাদক জর”রি সাধারণ সভা আহবান করবেন।৩ দিনের   বিজ্ঞপ্তিতে এবং জর”রি কার্যকরী পরিষদের সভা ২৪ ঘন্টার বিজ্ঞপ্তিতে সভার আলোচ্য সূচী এবং সভা আহবানের কারণ উল্লেখ করে   নোটিশ বইয়ের মাধ্যমে সদস্যদের নিকট অবহিত করতে হবে ।
ঘ)তলবী সভা ঃ১) কমপে মোট সদস্যের ২/৩ (দুই Ñতৃতীয়াংশ )সদস্য বিশেষ সাধারণ সভা কর্মসূচীর (এজেন্ডা) বা উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে স্বার দান  করতঃ তলবী সভার আবেদন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা সম্পাদকের কাছে জমা দিতে পারিবেন ।
   
২)সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক তলবী সভার আবেদন প্রাপ্তির ২১ দিনের মধ্যে তলবী সভার আহবান না করলে তলবী সদস্যবৃন্দ  নোটিশ জমার ২২ দিন পরে ১ মাসের মধ্যে ১৫ দিনের  নোটিশে সভা আহবান করতে পারবেন।তবে তলবী সভা প্রতিষ্ঠানের অফিসে  ডাকতে হবে ।মোট সদস্যের ২/৩ (দুই –তৃতীয়াংশের )উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে ।
 ঙ)মুলতবী সভা ঃ  কোরামের অভাবে সভা পরিচালনা করা সম্ভব না হলে অথবা অনুষ্ঠিত সভার কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট তারিখে হলে পরবর্তী সময়ে সভা পরিচালনার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।মুলতবী সভায় কোরামের প্রয়োজন হবে ২/৩(দুই –তৃতীয়াংশ)
চ) জর”রী সাধারণ সভা ঃজর”রী সাধারণ সভা ৭ দিনের নোটিশে আহবান করা যাবে ।তবে এই সভায় এজেন্ডা ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত  নেওয়া যাবে না ।
ধারা ঃ১৮ ঃ নির্বাচন পদ্ধতি ঃ
কার্যনির্বাহী পরিষদ ঃ সংস্থার বৈধ সাধারণ সদস্যের ভোটে নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে ।কার্যনির্বাহী পরিষদ   গঠন করে  ১ মাসের মধ্যে নিবন্ধীকরণ কর্তৃপরে নিকট হতে অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে ।নির্বাচনে পর্যবেক হিসেবে এক বা  একাধিক কর্মকর্তাকে আমন্ত্রন জানানো যেতে পারে ।
       খ) মেয়াদ ঃকার্যকরী পরিষদের মেয়াদ কাল হবে ২ বছর ।নির্বাচিত ঘোষনার তারিখ হতে এ মেয়াদ কাল কার্যকর হবে ।
       গ) নির্বাচন কমিশন ঃ নির্বাচন পরিচালনার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন না বা প্রতিষ্ঠানের সদস্য নন এমন ৩ জন ব্যক্তিকে নিয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে গঠিত হবে ।নির্বাচন কমিশন ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী কার্যক্রম  সমপন্ন করবেন এবং নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করবেন ।
   ঘ) নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ঃ ১।সংস্থার বৈধ সাধারণ সদস্যদের নিয়ে ভোটার তালিকা প্রণয়ন (২)নির্বাচনী তফসীল ঘোষণা (৩) নির্বাচন অনুষ্ঠিত করণ ও   ফলাফল ঘোষণা । ঙ)ভোটের প্রণালী ঃ  এক ব্যক্তি প্রতিটি পদে একটি ভোট প্রদান করবেন এবং কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট দেওয়া যাবে না ।নির্বাচনের ৩০ দিন পূর্বে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী তফসীল ঘোষণা করবেন । নির্বাচন বিষয়ে কমিশন কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে ।
ধারাঃ ১৯ ঃ অনাস্থা প্রস্তাব ঃ
যদি কোন সময় কার্যকারী পরিষদের কেউ সংস্থার স্বার্থের পরিপন্থি কোন কাজ করেন তবে তাহার বির”দ্ধে সাধারণ পরিষদের ২/৩ ভাগ সদস্য কর্তৃক অনাস্থা প্রস্তাব আনায়ন করা যাবে ।তবে এই বিষয়ে নিবন্ধন কর্তৃপ চ’ড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে ।
ধারা ঃ২০ শুণ্য পদ পূরণঃ
 কার্যনির্বাহি পরিষদের পদ শুণ্য হলে সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে সংস্থার সদস্য দ্বারা উক্ত শুণ্য পদ পূরণ করা যাবে ।শুণ্য পদ   পূরণের পর নিবন্ধীকরণ কর্তৃপরে অনুমোদন গ্রহনের পর তা কার্যকর হবে ।
ধারা ঃ ২১ ঃ সংস্থার আয়ের উৎস ঃ
 সদস্য চাঁদা,অনুদান সরকারি / বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির দান সংস্থার আয়ের উৎস হিসেবে গণ্য হবে ।
ধারা ঃ ২২ ঃ তহবীল /অর্থ  লেনদেন ঃ
  ক) সদস্যের ভর্তি ফি , ,শুভাকাঙ্খীদের দান ,বিভিন্ন সরকারি/  বেসরকারি কল্যাণমুলক প্রতিষ্ঠনের অনুদান ,যাকাত,  ফাউন্ডেশনের বাণিজ্যিক শাখার মুনাফা ফাউন্ডেশনের আয়ের উৎস বলে গণ্য হবে ।উল্লেখ্য যে ,্অত্র ফাউন্ডেশনের বৈদেশিক  সাহায্য গ্রহনের েেত্র বাংলাদেশের প্রচলিত এতদসমপর্কিত আইন মেনে চলবে ।
        খ) আর্থিক বছর শেষে তহবিলের অর্থ সদস্যদের মাঝে বন্টন করা যাবে না । শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানের আদর্শ ও ল্য এবং উদ্দেশ্য  অর্জনের েেত্র কল্যাণমুখী কাজে খরচ করা যাবে ।
ধারা ঃ ২৩ ঃ আর্থিক প্রশাসনঃ
 সংস্থার নামে তফসীলভুক্ত স্থানীয় যে কোন বাণিজ্যিক ব্যাংকে একক স্বারে পরিচালিত একটি সঞ্চয়ী হিসাব খুলিতে হবে।একক সভাপতি স্বারে পরিচালিত হবে। বিভিন্ন  সূত্র হতে প্রাপ্ত নগদ অর্থ বা চেক এই হিসাবে জমা করতে হবে।সকল অর্থই চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করতে হবে।অর্থ উত্তোলন ও  খরচের ব্যাপারে কার্যকরী পরিষদের সভার অনুমোদন থাকতে হবে।সাধারণ সম্পাদক নগদ ৫০০/- (পাঁচ শত )টাকার বেশি হাতে   রাখতে পারবে না।যে কোন খরচের হিসাব পরবতী কার্যকরী পরিষদের সভায় অনুমোদন গ্রহন করতে হবে। বড় ধরনের কোন খরচের প্রশ্ন দেখা দিলে সাধারণ সভায় তাহা অনুমোদনের জন্য পেশ করে অনুমোদন লাভের পর খরচ করা যাবে। কোষাধ্য সকল আয় ব্যয়   হিসাব সংরণ করবেন ।
 ধারা ২৪ ঃ সংস্থার আয় ব্যয় হিসাব নিরীণ ঃ
সংস্থার সকল সদস্যদের মধ্য হতে যে কোন ৩ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি আভ্যন্তরীণ অডিট টিম গঠন করে প্রতি ৬ মাস অন্তর সংস্থার  হিসাব পরীা নিরীা করতে হবে ।এই টিম কর্তৃক হিসাব নিরীণের পর ১৫ দিনের মধ্যে সভাপতির নিকট প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে ।তাছাড়া সংস্থার আয় ব্যয়ের হিসাব প্রতি বছর রেজিষ্টেশন কর্তৃপ অথবা তার মনোনীত কর্মকর্তা দ্বারা নিরীণ করতে হবে ।ইহা ছাড়া ও প্রয়োজনে যে কোন সি/এ ফার্ম দ্বারা অডিট করা যাবে ।


ধারা ঃ ২৫ ঃ কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োগ ঃ
(১)    সংস্থার বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ঠ্য একটি নিয়োগ কমিটি গঠন করতে হবে । এই কমিটিতে কার্যনির্বাহি পরিষদের একজন সদস্য এবং উপদেষ্টা পরিষদ থেকে একজন সদস্য থাকবে ।  সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য একটি চাকুরী বিধি থাকবে । কর্মকর্তা /কর্মচারী নিয়োগ  সংস্থার জন্য কর্মকর্তা /কর্মচারি নিয়োগের প্রয়োজন দেখা দিলে কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি নিয়োগ কমিটি গঠন   করতে হবে ।উক্ত কমিটি নিয়মতান্ত্রিক ভাবে সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারি নিয়োগ করবেন।সংস্থার কোন সদস্য কোন পদে অথবা সংস্থা   কর্তৃক পরিচালিত কোন প্রকল্প /কার্যক্রমে চাকরি গ্রহন করতে পারবেন না এবং সংস্থা হতে সম্মানী ভাতা ,মুনাফা বা কোন আর্থিক  সুবিধা গ্রহন করতে পারবেন না ।
(২)     নিয়োগের জন্য নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দিতে হবে। প্রয়জনে স্থানিয় বা জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া যেতে পারে। 
(৩)    প্রাথীরা লিখিত আবেদ করবেন । প্রাপ্ত আবেদন পত্র যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ কমিটি কর্তৃক লিখিত ও মৌখিক পরীার মাধ্যমে চুড়ান্ত ভাবে মনোনিত প্রার্থীকে নিযোগ পত্র প্রদান করতে হবে ।
ধারা ঃ ২৬ ঃ অডিট বা নিরিা ঃ
(১)    সংস্থার সাধরন পরিষদ সদস্য এবং সদস্য নন এমন তিন জন হিসাব পারদর্শী সমান্য় একটি অভ্যান্তরীন হিসাব নিরিা কমিটি গঠন করতে হবে।
(২)     এই অভ্যান্তরীন নিরিা কমিটি বার্ষিক সাধারন সভায় ৩০ দিন পূর্বে কোষাধ মাধ্যমে আর্থিক নিরিা প্রতিবেদন জমা দেবে ।
(৩)    সংস্থার অডিট কার্যক্রম রেজিষ্ট্রশন কর্তৃপ কর্তৃক সম্পন্য করতে হবে। প্রয়োজন বোধে সরকারী ভাবে অনুমোদন প্রাপ্ত কোন চার্টাড অডিট ফার্ম দিয়ে বহিঃ নিরি কার্যক্রম সম্পন্য করতে হবে।
(৪)    সংস্থার অডিট কার্যক্রম চার্টাড অডিট ফার্ম দুটি প্রতিবেদন সাধর পরিষদে পেশ করতে হবে।


ধারা ঃ ২৭ ঃ গঠনতন্ত্র সংশোধন বা পরিবর্তন ঃ  গঠনতন্ত্রের কোন ধারা বা উপধারা পরিবর্তন,সংযোজন,সংকোচন অথবা বিয়োজনের প্রয়োজন দেখা দিলে প্রথমে কার্যকরী পরিষদের  সভায় যে সমস্ত বিষয়ে আলোচনান্তে সিদ্ধান্ত গ্রহন পূর্বক একটি পূর্ণাঙ্গ সংশোধিত খসড়া সংবিধান প্রস্তুত করতে হবে এবং সাধারণ  সভায় অনুমোদনের জন্য দাখিল করতে হবে ।সাধারণ পরিষদের মোট সদস্যের ২/৩ অংশ সদস্যদের উপস্থিতে গঠনতন্ত্রের   সংশোধন বিষয়ে অনুমোদন গ্রহন করে চ’ড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধীকরণ কর্তৃপরে নিকট উপস্থাপন করতে হবে । নিবন্ধন কর্তৃপরে চুড়ান্ত অনুমোদনের পর তা কার্যকর হবে।
ধারা ঃ ২৮ সংস্থার বিলুপ্তি  ঃ  জোহরা নাজির ফাউন্ডেশন সর্বদা চলমান থাকবে । সমাজের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সর্বদা ব্রতী হবে। উন্নয়নের ক্রম বিকাশের ধারা এগিয়ে যাবে। কোন ব্যাক্তি প্রতিষ্ঠান কিংবা সংস্থার বিলুপ্তি ষাধন বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবেনা । যদি কোন কারন বসতঃ এই সংস্থার বিলুপ্তির প্রশ্ন দেখা দেয় তাহলে সকল শ্রেনীর সর্বোমোট ৩/৫ সদস্য রেজিষ্ট্রেশন কর্তৃপরে নিকট সংস্থার বিলুপ্তি চাইলে  লিখিত ভাবে আবেদন করবেন। রেজিষ্ট্রেশন কর্তৃপ বা তার মনোনিত কোন কর্মকর্তা দ্বারা বিষয়টি সরোজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজন বোধে সংস্থার বিলুপ্তি ঘোষনা ন্যায় সজ্ঞত হলে সংস্থার সকল দায় দেনা পরিশোধন্তে সংস্থার যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি সরকারের অনুকুলে চলে যাবে ।

ধারা ঃ ২৯ ঃ আইনগত বিধান ঃ অত্র গঠনতন্ত্রে যা কিছু উল্লেখ থাকুক না কেন সংস্থাটি ১৯৬১ সনের ৪৬ নং অধ্যাদেশের আওতায় এবং দেশের প্রচলিত আইন    অনুযায়ী সকল কার্যাদি পরিচালিত হবে ।অন্যান্য কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে অনুমোদন ক্রমে পরিচালিত হবে ।
                                              সমাপ্ত






No comments:

Post a Comment